ক্ষমা চেয়েও শিবগঞ্জে প্লাস্টিকের দাঁড়িপাল্লা সরাননি জামায়াত প্রার্থী কেরামত আলী

রবিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্ষমা চেয়েও শিবগঞ্জে প্লাস্টিকের দাঁড়িপাল্লা সরাননি জামায়াত প্রার্থী কেরামত আলী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় নিষিদ্ধ প্লাস্টিক সামগ্রী ব্যবহার করে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার পর ক্ষমা প্রার্থনা করলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. কেরামত আলী প্লাস্টিকের তৈরি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক অপসারণ করেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বরং বিভিন্ন স্থানে বড় আকারের প্রতীক স্থাপন অব্যাহত রয়েছে।

নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি জানায়, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ড. কেরামত আলী ও শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং জামায়াতের উপজেলা নায়েবে আমির গোলাম আজমকে নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশের পর ১ ফেব্রুয়ারি তারা নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মো. উজ্জ্বল মাহমুদের আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

তবে সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এখনো প্লাস্টিকের দাঁড়িপাল্লা প্রতীক ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও কোথাও ২০ থেকে ৩০ ফুট উচ্চতার টাওয়ার আকৃতির প্রতীকও স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্লাস্টিক ও বাঁশ ব্যবহার করা হয়েছে। এতে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে ঝুঁকি বাড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, পাড়া-মহল্লা, রাস্তার মোড় ও অলিগলিতে প্লাস্টিকের প্রতীক টাঙানো হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নিষেধ করা হলেও তা না মেনে স্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, প্লাস্টিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি সহজে মাটির সঙ্গে মিশে না, জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে এবং পোড়ালে বায়ুদূষণ ঘটায়। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে চললে এ ধরনের ব্যবহার এড়ানো সম্ভব।

এ বিষয়ে প্রার্থী ড. কেরামত আলীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক আহমেদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা ইতোমধ্যে অনুসন্ধান কমিটির কাছে হাজিরা দিয়েছেন। আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

এই বিভাগের আরো খবর